Muslim99Muslim99
← Tafsir library

8. Al-Anfaal

The Spoils of War · Medinan · 75 ayahs

سُورَةُ الأَنفَالِ

Reading Tafsir Ahsanul Bayaan by Bayaan Foundation

Ayahs 11–20 of 75

11

إِذْ يُغَشِّيكُمُ ٱلنُّعَاسَ أَمَنَةًۭ مِّنْهُ وَيُنَزِّلُ عَلَيْكُم مِّنَ ٱلسَّمَآءِ مَآءًۭ لِّيُطَهِّرَكُم بِهِۦ وَيُذْهِبَ عَنكُمْ رِجْزَ ٱلشَّيْطَٰنِ وَلِيَرْبِطَ عَلَىٰ قُلُوبِكُمْ وَيُثَبِّتَ بِهِ ٱلْأَقْدَامَ

যখন তিনি আরোপ করেন তোমাদের উপর তন্দ্রাচ্ছন্ন তা নিজের পক্ষ থেকে তোমাদের প্রশান্তির জন্য এবং তোমাদের উপর আকাশ থেকে পানি অবতরণ করেন, যাতে তোমাদিগকে পবিত্র করে দেন এবং যাতে তোমাদের থেকে অপসারিত করে দেন শয়তানের অপবিত্রতা। আর যাতে করে সুরক্ষিত করে দিতে পারেন তোমাদের অন্তরসমূহকে এবং তাতে যেন সুদৃঢ় করে দিতে পারেন তোমাদের পা গুলো।

স্মরণ কর, যখন তিনি তাঁর পক্ষ হতে নিরাপত্তা (ও শান্তি) দানের জন্য তোমাদেরকে তন্দ্রায় আচ্ছন্ন করেন[১] এবং আকাশ হতে তোমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষণ করেন, যাতে তা দিয়ে তোমাদেরকে পবিত্র করেন, তোমাদের নিকট হতে শয়তানের কুমন্ত্রণা দূরীভূত করেন,[২] তোমাদের হৃদয় সুদৃঢ় করেন এবং তোমাদের পা স্থির রাখেন। [৩]

[১] দ্বিতীয় পুরস্কার হল, উহুদ যুদ্ধের মত বদরের যুদ্ধেও মহান আল্লাহ মুসলিমদের উপর তন্দ্রা আচ্ছন্ন করেন। যার ফলে তাঁদের হৃদয়-ভার অনেকটা হাল্কা হয়ে যায় এবং দেহ-মনে প্রশান্তি ও স্বস্তি ফিরে আসে।

[২] তৃতীয় পুরস্কার তাঁদেরকে এই দান করলেন যে, তাদের উপর বৃষ্টি বর্ষণ করলেন। যার ফলে প্রথমতঃ বালুময় মাটিতে চলাফেরা সহজ হল। দ্বিতীয়তঃ ওযূ ও গোসল করা সহজ হল। তৃতীয়তঃ শয়তান মু'মিনদের অন্তরে যে কুমন্ত্রণা দিচ্ছিল যে, (১) তোমরা আল্লাহর নেক বান্দা হওয়া সত্ত্বেও পানি হতে এত দূরে অবস্থান করছ। (২) অপবিত্র অবস্থায় যুদ্ধ করলে তোমরা কিভাবে আল্লাহর দয়া ও সাহায্য পেতে পারবে? (৩) তোমরা পিপাসিত অথচ তোমাদের শত্রুরা পিপাসিত নয় ইত্যাদি ইত্যাদি-- তা দূর হয়ে গেল।

[৩] এটি ছিল চতুর্থ পুরস্কারঃ অন্তর ও পা দৃঢ়ীকরণ।

Al-Anfaal 8:11Listen in Qur'an →
12

إِذْ يُوحِى رَبُّكَ إِلَى ٱلْمَلَٰٓئِكَةِ أَنِّى مَعَكُمْ فَثَبِّتُوا۟ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ ۚ سَأُلْقِى فِى قُلُوبِ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ ٱلرُّعْبَ فَٱضْرِبُوا۟ فَوْقَ ٱلْأَعْنَاقِ وَٱضْرِبُوا۟ مِنْهُمْ كُلَّ بَنَانٍۢ

যখন নির্দেশ দান করেন ফেরেশতাদিগকে তোমাদের পরওয়ারদেগার যে, আমি সাথে রয়েছি তোমাদের, সুতরাং তোমরা মুসলমানদের চিত্তসমূহকে ধীরস্থির করে রাখ। আমি কাফেরদের মনে ভীতির সঞ্চার করে দেব। কাজেই গর্দানের উপর আঘাত হান এবং তাদেরকে কাট জোড়ায় জোড়ায়।

স্মরণ কর, যখন তোমাদের প্রতিপালক ফিরিশতাগণের প্রতি প্রত্যাদেশ করেন, নিশ্চয় আমি তোমাদের সাথে আছি। সুতরাং তোমরা বিশ্বাসীগণকে অবিচলিত রাখ। যারা অবিশ্বাস করে, আমি অচিরেই তাদের হৃদয়ে আতঙ্ক প্রক্ষেপ করব।[১] সুতরাং তাদের ঘাড়ের উপর আঘাত কর এবং আঘাত কর তাদের সর্বাঙ্গে।[২]

[১] এখানে মহান আল্লাহ ফিরিশতা দ্বারা এবং বিশেষভাবে নিজ পক্ষ হতে যেভাবে বদরে মুসলিমদের সাহায্য করেছেন তার বর্ণনা রয়েছে।

[২] بنان হাত ও পায়ের আঙ্গুলের অগ্রভাগ। অর্থাৎ, তাদের হাত-পায়ের আঙ্গুল কেটে দিলে তারা অসহায় হয়ে পড়বে। আর এভাবে তারা হাত দ্বারা তরবারি চালাতে ও পা ছাড়া পালাতে সক্ষম হবে না। (অথবা উদ্দেশ্য তাদের সর্বাঙ্গে আঘাত কর।)

Al-Anfaal 8:12Listen in Qur'an →
13

ذَٰلِكَ بِأَنَّهُمْ شَآقُّوا۟ ٱللَّهَ وَرَسُولَهُۥ ۚ وَمَن يُشَاقِقِ ٱللَّهَ وَرَسُولَهُۥ فَإِنَّ ٱللَّهَ شَدِيدُ ٱلْعِقَابِ

যেহেতু তারা অবাধ্য হয়েছে আল্লাহ এবং তাঁর রসূলের, সেজন্য এই নির্দেশ। বস্তুতঃ যে লোক আল্লাহ ও রসূলের অবাধ্য হয়, নিঃসন্দেহে আল্লাহর শাস্তি অত্যন্ত কঠোর।

এটা এ কারণে যে, তারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের বিরোধিতা করেছে। আর যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের বিরোধিতা করবে (তারা জেনে রাখুক,) নিশ্চয়ই আল্লাহ শাস্তিদানে কঠোর।

Al-Anfaal 8:13Listen in Qur'an →
14

ذَٰلِكُمْ فَذُوقُوهُ وَأَنَّ لِلْكَٰفِرِينَ عَذَابَ ٱلنَّارِ

আপাততঃ বর্তমান এ শাস্তি তোমরা আস্বাদন করে নাও এবং জেনে রাখ যে, কাফেরদের জন্য রয়েছে দোযখের আযাব।

এটাই তোমাদের শাস্তি; সুতরাং তোমরা তার আস্বাদ গ্রহণ কর। আর অবিশ্বাসীদের জন্য রয়েছে দোযখের শাস্তি।

Al-Anfaal 8:14Listen in Qur'an →
15

يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓا۟ إِذَا لَقِيتُمُ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ زَحْفًۭا فَلَا تُوَلُّوهُمُ ٱلْأَدْبَارَ

হে ঈমানদারগণ, তোমরা যখন কাফেরদের সাথে মুখোমুখী হবে, তখন পশ্চাদপসরণ করবে না।

হে বিশ্বাসীগণ! তোমরা যখন (যুদ্ধকালে) অবিশ্বাসী বাহিনীর সম্মুখীন হবে, তখন (তাদের মুকাবিলা করতে) পৃষ্ঠপ্রদর্শন করো না।[১]

[১] زحفا এর অর্থ হল এক অন্যের সম্মুখীন হওয়া। অর্থাৎ, মুসলিম ও কাফের যখন এক অপরের সম্মুখীন হবে, তখন পৃষ্ঠপ্রদর্শন করার অনুমতি নেই। একটি হাদীসে বর্ণিত হয়েছে, إجتنبوا السبع الموبقات সাতটি ধ্বংসকারী পাপ হতে বাঁচ, এই সাতটির মধ্যে একটি হল التولى يوم الزحف শত্রু সম্মুখীন অবস্থায় পৃষ্ঠপ্রদর্শন করা (পলায়ন করা)। (বুখারীঃ কিতাবুল অসা-ইয়া, মুসলিমঃ ঈমান অধ্যায়)

Al-Anfaal 8:15Listen in Qur'an →
16

وَمَن يُوَلِّهِمْ يَوْمَئِذٍۢ دُبُرَهُۥٓ إِلَّا مُتَحَرِّفًۭا لِّقِتَالٍ أَوْ مُتَحَيِّزًا إِلَىٰ فِئَةٍۢ فَقَدْ بَآءَ بِغَضَبٍۢ مِّنَ ٱللَّهِ وَمَأْوَىٰهُ جَهَنَّمُ ۖ وَبِئْسَ ٱلْمَصِيرُ

আর যে লোক সেদিন তাদের থেকে পশ্চাদপসরণ করবে, অবশ্য যে লড়াইয়ের কৌশল পরিবর্তনকল্পে কিংবা যে নিজ সৈন্যদের নিকট আশ্রয় নিতে আসে সে ব্যতীত অন্যরা আল্লাহর গযব সাথে নিয়ে প্রত্যাবর্তন করবে। আর তার ঠিকানা হল জাহান্নাম। বস্তুতঃ সেটা হল নিকৃষ্ট অবস্থান।

সেদিন যুদ্ধকৌশল পরিবর্তন কিংবা স্বীয় দলে স্থান নেওয়া ব্যতীত[১] অন্য কারণে কেউ তার পৃষ্ঠ প্রদর্শন করলে, সে তো আল্লাহর বিরাগভাজন হবে এবং তার আশ্রয়স্থল হবে জাহান্নাম, আর তা কত নিকৃষ্ট ঠিকানা! [২]

[১] পূর্বের আয়াতে যে পৃষ্ঠপ্রদর্শন করতে নিষেধ করা হয়েছে তা হতে দুটি অবস্থা ব্যতিক্রম। প্রথমতঃ যুদ্ধ-কৌশল অবলম্বন। দ্বিতীয়তঃ স্বীয় বাহিনীর কেন্দ্রস্থলে স্থান নেওয়া। প্রথমটির অর্থ এক দিকে সরে যাওয়া; অর্থাৎ, যুদ্ধ-কৌশল পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে বা শত্রুদেরকে ধোঁকা দেওয়ার জন্য যুদ্ধরত অবস্থায় পিছু হটা। যাতে শত্রু মনে করতে পারে যে, তারা হেরে গিয়ে পালাচ্ছে। কিন্তু হঠাৎ নতুন শক্তি নিয়ে শত্রুর উপর ঝাঁপিয়ে পড়া। এটি পৃষ্ঠপ্রদর্শন নয়; বরং একটি যুদ্ধ কৌশল। যা কখনো কখনো উপকারী ও জরুরী হয়। تحيز এর অর্থ মিলিত হওয়া বা আশ্রয় নেওয়া। কোন মুজাহিদ যুদ্ধ করতে করতে একা হয়ে পড়ে, তাহলে রণ-কৌশল হিসাবে যুদ্ধ ময়দান হতে সরে পড়া এবং নিজ বাহিনীর নিকট আশ্রয় নেওয়া এবং তাদের সাহায্যে পুনর্বার আক্রমণ করা। এই দুই অবস্থাই বৈধ।

[২] অর্থাৎ, এই দুই অবস্থা ব্যতীত কেউ পালিয়ে গেলে তার জন্য রয়েছে এই কঠিন সতর্কবাণী।

Al-Anfaal 8:16Listen in Qur'an →
17

فَلَمْ تَقْتُلُوهُمْ وَلَٰكِنَّ ٱللَّهَ قَتَلَهُمْ ۚ وَمَا رَمَيْتَ إِذْ رَمَيْتَ وَلَٰكِنَّ ٱللَّهَ رَمَىٰ ۚ وَلِيُبْلِىَ ٱلْمُؤْمِنِينَ مِنْهُ بَلَآءً حَسَنًا ۚ إِنَّ ٱللَّهَ سَمِيعٌ عَلِيمٌۭ

সুতরাং তোমরা তাদেরকে হত্যা করনি, বরং আল্লাহই তাদেরকে হত্যা করেছেন। আর তুমি মাটির মুষ্ঠি নিক্ষেপ করনি, যখন তা নিক্ষেপ করেছিলে, বরং তা নিক্ষেপ করেছিলেন আল্লাহ স্বয়ং যেন ঈমানদারদের প্রতি এহসান করতে পারেন যথার্থভাবে। নিঃসন্দেহে আল্লাহ শ্রবণকারী; পরিজ্ঞাত।

তোমরা তাদেরকে হত্যা করনি, বরং আল্লাহই তাদেরকে হত্যা করেছেন।[১] এবং তুমি যখন (মাটি) নিক্ষেপ করেছিলে তখন তুমি নিক্ষেপ করনি,[২] বরং আল্লাহই নিক্ষেপ করেছিলেন। যাতে তিনি বিশ্বাসীগণকে নিজের তরফ হতে উত্তমরূপে পরীক্ষা (করে পুরস্কৃত) করেন।[৩] নিশ্চয় আল্লাহ সর্বশ্রোতা সর্বজ্ঞাতা।

[১] অর্থাৎ, বদর যুদ্ধের সকল অবস্থা তোমার সামনে তুলে ধরা হল, আর যেভাবে আল্লাহ তোমার সাহায্য করেছেন তাও। এসব স্পষ্ট করে দেওয়ার পর যেন তুমি এটা না ভাব যে, কাফেরদেরকে হত্যা করা তোমার কৃতিত্ব। না, বরং তা আল্লাহর সাহায্যের ফল। যার ফলে তুমি এই শক্তি সঞ্চয় করতে পেরেছ। সত্যিকার তাদের হত্যাকারী মহান আল্লাহই।[২] বদর যুদ্ধে নবী (সাঃ) এক মুঠি বালি নিয়ে কাফেরদের দিকে ছুঁড়ে মেরেছিলেন; যা প্রথমতঃ মহান আল্লাহ তাদের মুখ ও চোখ পর্যন্ত পৌঁছে দিয়েছিলেন। দ্বিতীয়তঃ এর মধ্যে এমন প্রভাব সৃষ্টি করেছিলেন, যার ফলে তাদের চোখ ধাঁধিয়ে যায় ও তারা কিছুই দেখতে পায় না। এই মু'জিযা যা আল্লাহর তরফ থেকে সেই সময় প্রকাশ পায়, তা মুসলিমদের বিজয়ে বিরাট সহযোগিতা করে। মহান আল্লাহ বলেন, 'হে নবী! ধুলোবালি তুমি অবশ্যই তাদের দিকে নিক্ষেপ করেছিলে। কিন্তু ওর মধ্যে প্রভাব আমিই সৃষ্টি করেছিলাম, আমি প্রভাব সৃষ্টি না করলে এই ধুলো-বালি কি করতে পারত? এতএব এ কাজ সত্যিকারে আমার, নাকি তোমার?'[৩] بلاء এখানে পুরস্কারের অর্থে নেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ আল্লাহর এই সমর্থন ও সাহায্য মুসলিমদের জন্য একটি উত্তম পুরস্কার ছিল।

Al-Anfaal 8:17Listen in Qur'an →
18

ذَٰلِكُمْ وَأَنَّ ٱللَّهَ مُوهِنُ كَيْدِ ٱلْكَٰفِرِينَ

এটাতো গেল, আর জেনে রেখো, আল্লাহ নস্যাৎ করে দেবেন কাফেরদের সমস্ত কলা-কৌশল।

এ তো ছিলই। আর নিশ্চয় আল্লাহ অবিশ্বাসীদের ষড়যন্ত্র দুর্বল করে থাকেন।[১]

[১] দ্বিতীয় উদ্দেশ্য ছিল, কাফেরদের চক্রান্ত দুর্বল ও নস্যাৎ করে দেওয়া।

Al-Anfaal 8:18Listen in Qur'an →
19

إِن تَسْتَفْتِحُوا۟ فَقَدْ جَآءَكُمُ ٱلْفَتْحُ ۖ وَإِن تَنتَهُوا۟ فَهُوَ خَيْرٌۭ لَّكُمْ ۖ وَإِن تَعُودُوا۟ نَعُدْ وَلَن تُغْنِىَ عَنكُمْ فِئَتُكُمْ شَيْـًۭٔا وَلَوْ كَثُرَتْ وَأَنَّ ٱللَّهَ مَعَ ٱلْمُؤْمِنِينَ

তোমরা যদি মীমাংসা কামনা কর, তাহলে তোমাদের নিকট মীমাংসা পৌছে গেছে। আর যদি তোমরা প্রত্যাবর্তন কর, তবে তা তোমাদের জন্য উত্তম এবং তোমরা যদি তাই কর, তবে আমি ও তেমনি করব। বস্তুতঃ তোমাদের কোনই কাজে আসবে না তোমাদের দল-বল, তা যত বেশীই হোক। জেনে রেখ আল্লাহ রয়েছেন ঈমানদারদের সাথে।

তোমরা যদি বিজয় চাও, তাহলে তা তো তোমাদের নিকট এসেই গেছে।[১] যদি তোমরা বিরত হও, তাহলে তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর। আর যদি তোমরা পুনরায় (সে কাজ) কর, তাহলে আমিও পুনরায় তোমাদেরকে শাস্তি দেব এবং তোমাদের দল সংখ্যায় অধিক হলেও তোমাদের কোন কাজে আসবে না। আর নিশ্চয় আল্লাহ বিশ্বাসীদের সাথে রয়েছেন।

[১] আবূ জাহল প্রভৃতি মক্কার কুরাইশ নেতারা মক্কা হতে বের হবার সময় দু'আ করেছিল যে, 'হে আল্লাহ! আমাদের মধ্যে যারা তোমার বেশি অবাধ্য ও সম্পর্ক ছিন্নকারী, কাল তাদেরকে ধ্বংস করে দিও।' তারা মুসলিমদেরকে সম্পর্ক ছিন্নকারী ও অবাধ্য মনে করত, সেই জন্য তারা উক্ত দু'আ করেছিল। এবার যখন মহান আল্লাহ মুসলিমদেরকে বিজয় দান করলেন, তখন তিনি তাদেরকে বলছেন যে, তোমরা তো সত্যের বিজয়ই চাচ্ছিলে। সে ফায়সালা ও বিজয় তো তোমাদের সামনে এসে গেছে। অতএব তোমরা যদি কুফরী হতে বিরত হও, তাহলে তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর। আর যদি তোমরা আবার মুসলিমদের বিরুদ্ধে অগ্রসর হও, তাহলে আমি আবার তাদেরকে সাহায্য করব। আর তোমাদের বিরাট বাহিনী কোনই কাজে আসবে না।

Al-Anfaal 8:19Listen in Qur'an →
20

يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓا۟ أَطِيعُوا۟ ٱللَّهَ وَرَسُولَهُۥ وَلَا تَوَلَّوْا۟ عَنْهُ وَأَنتُمْ تَسْمَعُونَ

হে ঈমানদারগণ, আল্লাহ ও তাঁর রসূলের নির্দেশ মান্য কর এবং শোনার পর তা থেকে বিমুখ হয়ো না।

হে বিশ্বাসীগণ! তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আনুগত্য কর এবং (তার কথা) শ্রবণ করার পরেও তার (আনুগত্য) হতে মুখ ফিরিয়ে নিয়ো না।

Al-Anfaal 8:20Listen in Qur'an →

Commentary: Tafsir Ahsanul Bayaan by Bayaan Foundation. Qur'an text and translation via AlQuran Cloud.