Muslim99Muslim99
← Tafsir library

4. An-Nisaa

The Women · Medinan · 176 ayahs

سُورَةُ النِّسَاءِ

Reading Al-Mukhtasar in Interpreting the Noble Qur'an by Tafsir Center for Quranic Studies

Ayahs 81–90 of 176

81

وَيَقُولُونَ طَاعَةٌۭ فَإِذَا بَرَزُوا۟ مِنْ عِندِكَ بَيَّتَ طَآئِفَةٌۭ مِّنْهُمْ غَيْرَ ٱلَّذِى تَقُولُ ۖ وَٱللَّهُ يَكْتُبُ مَا يُبَيِّتُونَ ۖ فَأَعْرِضْ عَنْهُمْ وَتَوَكَّلْ عَلَى ٱللَّهِ ۚ وَكَفَىٰ بِٱللَّهِ وَكِيلًا

আর তারা বলে, আপনার আনুগত্য করি। অতঃপর আপনার নিকট থেকে বেরিয়ে গেলেই তাদের মধ্য থেকে কেউ কেউ পরামর্শ করে রাতের বেলায় সে কথার পরিপন্থী যা তারা আপনার সাথে বলেছিল। আর আল্লাহ লিখে নেন, সে সব পরামর্শ যা তারা করে থাকে। সুতরাং আপনি তাদের ব্যাপারে নিস্পৃহতা অবলম্বন করুন এবং ভরসা করুন আল্লাহর উপর, আল্লাহ হলেন যথেষ্ট ও কার্যসম্পাদনকারী।

৮১. মুনাফিকরা কেবল আপনাকে মুখে বলে: আমরা আপনার আদেশ মানছি ও আনুগত্য করছি। অতঃপর তারা আপনার আড়াল হলে তাদেরই একদল লোক গোপনে আপনার নিকট যা প্রকাশ করেছে তার বিপরীত পরিকল্পনা করে। আল্লাহ জানেন তারা কী পরিকল্পনা করে। তাই অচিরেই তিনি তাদের এ ষড়যন্ত্রের প্রতিদান দিবেন। আপনি তাদের দিকে তাকাবেনও না। কারণ, তারা কখনোই আপনার এতটুকু ক্ষতি করতে পারবে না। বরং আপনি নিজের সবকিছুই আল্লাহর নিকট সোপর্দ করুন এবং তাঁরই উপর নির্ভরশীল হোন। আল্লাহ তা‘আলা আপনার অভিভাবক হিসেবে যথেষ্ট। যাঁর উপর আপনি ভরসা করতে পারেন।

82

أَفَلَا يَتَدَبَّرُونَ ٱلْقُرْءَانَ ۚ وَلَوْ كَانَ مِنْ عِندِ غَيْرِ ٱللَّهِ لَوَجَدُوا۟ فِيهِ ٱخْتِلَٰفًۭا كَثِيرًۭا

এরা কি লক্ষ্য করে না কোরআনের প্রতি? পক্ষান্তরে এটা যদি আল্লাহ ব্যতীত অপর কারও পক্ষ থেকে হত, তবে এতো অবশ্যই বহু বৈপরিত্য দেখতে পেত।

৮২. এরা কেন কুর‘আন নিয়ে গবেষণা করে না। তাহলেই তাদের নিকট এটা প্রমাণিত হতো যে, তাতে কোন ধরনের অস্থিরতা ও বৈপরীত্য নেই। তাহলে তারা আপনার আনীত বিধানের সত্যতা জানতে পারতো। কুরআন আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো পক্ষ থেকে হলে তারা তার বিধানাবলীতে অস্থিরতা ও তার অর্থসমূহে বিপুল মতভেদ দেখতে পেতো।

83

وَإِذَا جَآءَهُمْ أَمْرٌۭ مِّنَ ٱلْأَمْنِ أَوِ ٱلْخَوْفِ أَذَاعُوا۟ بِهِۦ ۖ وَلَوْ رَدُّوهُ إِلَى ٱلرَّسُولِ وَإِلَىٰٓ أُو۟لِى ٱلْأَمْرِ مِنْهُمْ لَعَلِمَهُ ٱلَّذِينَ يَسْتَنۢبِطُونَهُۥ مِنْهُمْ ۗ وَلَوْلَا فَضْلُ ٱللَّهِ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَتُهُۥ لَٱتَّبَعْتُمُ ٱلشَّيْطَٰنَ إِلَّا قَلِيلًۭا

আর যখন তাদের কছে পৌঁছে কোন সংবাদ শান্তি-সংক্রান্ত কিংবা ভয়ের, তখন তারা সেগুলোকে রটিয়ে দেয়। আর যদি সেগুলো পৌঁছে দিত রসূল পর্যন্ত কিংবা তাদের শাসকদের পর্যন্ত, তখন অনুসন্ধান করে দেখা যেত সেসব বিষয়, যা তাতে রয়েছে অনুসন্ধান করার মত। বস্তুতঃ আল্লাহর অনুগ্রহ ও করুণা যদি তোমাদের উপর বিদ্যমান না থাকত তবে তোমাদের অল্প কতিপয় লোক ব্যতীত সবাই শয়তানের অনুসরণ করতে শুরু করত!

৮৩. এ মুনাফিকদের নিকট মুসলমানদের নিরাপত্তা ও তাদের খুশি অথবা তাদের ভয় ও চিন্তার বিষয় আসলে তারা সেটিকে প্রচার ও প্রসার করে বেড়ায়। তারা একটু স্থিরতা অবলম্বন করে ব্যাপারটি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এবং চিন্তাশীল, জ্ঞানী ও হিতাকাক্সক্ষীদের দিকে ফিরিয়ে দিলে চিন্তাশীল গবেষকরা বুঝতে পারতো কোন্টি প্রচার করা আর কোন্টি লুকিয়ে রাখা উচিত। তোমাদের উপর ইসলাম ও কুর‘আনের মাধ্যমে আল্লাহর অনুগ্রহ ও রহমত না থাকলে আর মুনাফিকদের লিপ্ত থাকা বিষয় হতে তোমাদেরকে নিরাপত্তা না দিলে তোমাদের কম সংখ্যক ছাড়া অধিকাংশই শয়তানের কুমন্ত্রণার অনুসরণ করতো।

84

فَقَٰتِلْ فِى سَبِيلِ ٱللَّهِ لَا تُكَلَّفُ إِلَّا نَفْسَكَ ۚ وَحَرِّضِ ٱلْمُؤْمِنِينَ ۖ عَسَى ٱللَّهُ أَن يَكُفَّ بَأْسَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ ۚ وَٱللَّهُ أَشَدُّ بَأْسًۭا وَأَشَدُّ تَنكِيلًۭا

আল্লাহর রাহে যুদ্ধ করতে থাকুন, আপনি নিজের সত্তা ব্যতীত অন্য কোন বিষয়ের যিম্মাদার নন! আর আপনি মুসলমানদেরকে উৎসাহিত করতে থাকুন। শীঘ্রই আল্লাহ কাফেরদের শক্তি-সামর্থ খর্ব করে দেবেন। আর আল্লাহ শক্তি-সামর্থের দিক দিয়ে অত্যন্ত কঠোর এবং কঠিন শাস্তিদাতা।

৮৪. হে রাসূল! আপনি আল্লাহর বাণীকে সুউচ্চ করতে তাঁর পথে যুদ্ধ করুন আপনাকে অন্য কারো সম্পর্কে জিজ্ঞাসা ও তার দায়িত্ব নিতে বাধ্য করা হবে না। কারণ, আপনি শুধু নিজেকেই যুদ্ধের ব্যাপারে বাধ্য করতে আজ্ঞাবহ। আর আপনি মু’মিনদেরকে যুদ্ধের ব্যাপারে উৎসাহী ও আগ্রহী করে তুলুন। আশা করা যায় আল্লাহ তা‘আলা আপনাদের যুদ্ধের মাধ্যমে কাফিরদের শক্তি প্রতিহত করবেন। বস্তুতঃ আল্লাহই সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী ও কঠোর শাস্তিদাতা।

85

مَّن يَشْفَعْ شَفَٰعَةً حَسَنَةًۭ يَكُن لَّهُۥ نَصِيبٌۭ مِّنْهَا ۖ وَمَن يَشْفَعْ شَفَٰعَةًۭ سَيِّئَةًۭ يَكُن لَّهُۥ كِفْلٌۭ مِّنْهَا ۗ وَكَانَ ٱللَّهُ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍۢ مُّقِيتًۭا

যে লোক সৎকাজের জন্য কোন সুপারিশ করবে, তা থেকে সেও একটি অংশ পাবে। আর যে লোক সুপারিশ করবে মন্দ কাজের জন্যে সে তার বোঝারও একটি অংশ পাবে। বস্তুতঃ আল্লাহ সর্ব বিষয়ে ক্ষমতাশীল।

৮৫. অন্যের কল্যাণে সচেষ্ট ব্যক্তির কিছু সাওয়াব। আর অকল্যাণে সচেষ্ট ব্যক্তিরও কিছু গুনাহ হবে। আর আল্লাহ তা‘আলা মানুষের সবকর্মেরই সাক্ষী। তাই তিনি অচিরেই তাকে এর প্রতিদান দিবেন। তাই তোমাদের কেউ কোন কল্যাণ হাসিলের কারণ হলে সে তার এক ভাগ পাবে। আর যে কোন অকল্যাণ হাসিলের কারণ হবে সে তারই একটি অংশ পাবে।

86

وَإِذَا حُيِّيتُم بِتَحِيَّةٍۢ فَحَيُّوا۟ بِأَحْسَنَ مِنْهَآ أَوْ رُدُّوهَآ ۗ إِنَّ ٱللَّهَ كَانَ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍ حَسِيبًا

আর তোমাদেরকে যদি কেউ দোয়া করে, তাহলে তোমরাও তার জন্য দোয়া কর; তারচেয়ে উত্তম দোয়া অথবা তারই মত ফিরিয়ে বল। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্ব বিষয়ে হিসাব-নিকাশ গ্রহণকারী।

৮৬. কেউ তোমাদেরকে সালাম দিলে তোমরা তার চেয়ে আরো উৎকৃষ্ট পন্থায় অথবা তার সমপর্যায়ের উত্তর দাও। তবে উত্তম পন্থায় উত্তর দেয়াই উত্তম। নিশ্চয়ই আল্লাহ তা‘আলা তোমাদের কর্মকাÐের সংরক্ষক। তাই তিনি অচিরেই প্রত্যেককে তার আমলের প্রতিদান দিবেন।

87

ٱللَّهُ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ ۚ لَيَجْمَعَنَّكُمْ إِلَىٰ يَوْمِ ٱلْقِيَٰمَةِ لَا رَيْبَ فِيهِ ۗ وَمَنْ أَصْدَقُ مِنَ ٱللَّهِ حَدِيثًۭا

আল্লাহ ব্যতীত আর কোনোই উপাস্য নেই। অবশ্যই তিনি তোমাদেরকে সমবেত করবেন কেয়ামতের দিন, এতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই। তাছাড়া আল্লাহর চাইতে বেশী সত্য কথা আর কার হবে!

৮৭. তিনি আল্লাহ। তিনি ছাড়া সত্য কোন মা’বূদ নেই। তিনি তোমাদের আমলগুলোর প্রতিদান দেয়ার জন্য তোমাদের আদি-অন্তের সকলকে কিয়ামতের দিন অবশ্যই একত্রিত করবেন। যাতে কোন ধরনের সন্দেহ নেই। আল্লাহর চেয়ে সত্যবাদী আর কেউ নেই।

88

۞ فَمَا لَكُمْ فِى ٱلْمُنَٰفِقِينَ فِئَتَيْنِ وَٱللَّهُ أَرْكَسَهُم بِمَا كَسَبُوٓا۟ ۚ أَتُرِيدُونَ أَن تَهْدُوا۟ مَنْ أَضَلَّ ٱللَّهُ ۖ وَمَن يُضْلِلِ ٱللَّهُ فَلَن تَجِدَ لَهُۥ سَبِيلًۭا

অতঃপর তোমাদের কি হল যে, মুনাফিকদের সম্পর্কে তোমরা দু’দল হয়ে গেলে? অথচ আল্লাহ তা’আলা তাদেরকে ঘুরিয়ে দিয়েছেন তাদের মন্দ কাজের কারনে! তোমরা কি তাদেরকে পথ প্রদর্শন করতে চাও, যাদেরকে আল্লাহ পথভ্রষ্ট করেছেন? আল্লাহ যাকে পথভ্রান্ত করেন, তুমি তার জন্য কোন পথ পাবে না।

৮৮. হে মু’মিনরা! তোমাদের কী হলো, তোমরা নিজেরা মুনাফিকদের সাথে আচরণের ব্যাপারে দু’ দলে বিভক্ত হলে কেন? একদল বলছে তাদের সাথে যুদ্ধ করতে। কারণ, তারা আসলেই কাফির। আরেক দল বলছে তাদের সাথে যুদ্ধ না করতে। কারণ, তারা মু’মিন?! তাদের ব্যাপারে মতভেদ করা তোমাদের জন্য উচিত নয়। আল্লাহ তা‘আলা তাদের কর্মের কারণে তাদেরকে কুফরি ও ভ্রষ্টতার দিকে ফিরিয়ে দিয়েছেন। তোমরা কি চাও ওদেরকে হিদায়েত করতে যাদেরকে আল্লাহ তা‘আলা সত্য গ্রহণের তাওফীক দেননি?! আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করেছেন তুমি তার জন্য কোন হিদায়েতের রাস্তা খুঁজে পাবে না।

89

وَدُّوا۟ لَوْ تَكْفُرُونَ كَمَا كَفَرُوا۟ فَتَكُونُونَ سَوَآءًۭ ۖ فَلَا تَتَّخِذُوا۟ مِنْهُمْ أَوْلِيَآءَ حَتَّىٰ يُهَاجِرُوا۟ فِى سَبِيلِ ٱللَّهِ ۚ فَإِن تَوَلَّوْا۟ فَخُذُوهُمْ وَٱقْتُلُوهُمْ حَيْثُ وَجَدتُّمُوهُمْ ۖ وَلَا تَتَّخِذُوا۟ مِنْهُمْ وَلِيًّۭا وَلَا نَصِيرًا

তারা চায় যে, তারা যেমন কাফের, তোমরাও তেমনি কাফের হয়ে যাও, যাতে তোমরা এবং তারা সব সমান হয়ে যাও। অতএব, তাদের মধ্যে কাউকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না, যে পর্যন্ত না তারা আল্লাহর পথে হিজরত করে চলে আসে। অতঃপর যদি তারা বিমুখ হয়, তবে তাদেরকে পাকড়াও কর এবং যেখানে পাও হত্যা কর। তাদের মধ্যে কাউকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না এবং সাহায্যকারী বানিও না।

৮৯. মুনাফিকরা আশা করে তোমরা যদি তাদের মতো তোমাদের উপর অবতীর্ণ বিধানের প্রতি কুফরি করতে। তাহলে এ ক্ষেত্রে তোমরা তাদের সমান হয়ে যেতে। তাই তোমরা তাদের শত্রæতার দরুন তাদের কাউকে বন্ধু বানাবে না যতক্ষণ না তারা আল্লাহর পথে শিরকের এলাকা থেকে ইসলামের এলাকার দিকে হিজরত করে। যা তাদের ঈমানের প্রমাণ বহন করবে। তারা হিজরত করা থেকে বিরত থেকে নিজেদের অবস্থার উপর অটল থাকলে তোমরা তাদেরকে যেখানে পাও ধরে হত্যা করো। আর তাদের কাউকে বন্ধু বানাবে না যে তোমাদের কর্মকাÐে তোমাদেরই সাথী হবে। আর কাউকে সাহায্যকারী বানাবে না যে তোমাদের শত্রæর বিরুদ্ধে তোমাদেরকে সাহায্য করবে।

90

إِلَّا ٱلَّذِينَ يَصِلُونَ إِلَىٰ قَوْمٍۭ بَيْنَكُمْ وَبَيْنَهُم مِّيثَٰقٌ أَوْ جَآءُوكُمْ حَصِرَتْ صُدُورُهُمْ أَن يُقَٰتِلُوكُمْ أَوْ يُقَٰتِلُوا۟ قَوْمَهُمْ ۚ وَلَوْ شَآءَ ٱللَّهُ لَسَلَّطَهُمْ عَلَيْكُمْ فَلَقَٰتَلُوكُمْ ۚ فَإِنِ ٱعْتَزَلُوكُمْ فَلَمْ يُقَٰتِلُوكُمْ وَأَلْقَوْا۟ إِلَيْكُمُ ٱلسَّلَمَ فَمَا جَعَلَ ٱللَّهُ لَكُمْ عَلَيْهِمْ سَبِيلًۭا

কিন্তু যারা এমন সম্প্রদায়ের সাথে মিলিত হয় যে, তোমাদের মধ্যে ও তাদের মধ্যে চুক্তি আছে অথবা তোমাদের কাছে এভাবে আসে যে, তাদের অন্তর তোমাদের সাথে এবং স্বজাতির সাথেও যুদ্ধ করতে অনিচ্ছুক। যদি আল্লাহ ইচ্ছে করতেন, তবে তোমাদের উপর তাদেরকে প্রবল করে দিতেন। ফলে তারা অবশ্যই তোমাদের সাথে যুদ্ধ করত। অতঃপর যদি তারা তোমাদের থেকে পৃথক থাকে তোমাদের সাথে যুদ্ধ না করে এবং তোমাদের সাথে সন্ধি করে, তবে আল্লাহ তোমাদের কে তাদের বিরুদ্ধে কোন পথ দেননি।

৯০. তবে তাদের কেউ তোমাদের চুক্তিবদ্ধ সম্প্রদায়ের নিকট পৌঁছে গেলে অথবা যারা এমন অবস্থায় তোমাদের নিকট এসেছে, তাদের অন্তরগুলো এমন সঙ্কীর্ণ হয়ে গেছে যে, না তারা তোমাদের সাথে যুদ্ধ করার ইচ্ছা পোষণ করে না তাদের সম্প্রদায়ের সাথে। আল্লাহ তা‘আলা চাইলে তাদেরকে তোমাদের সাথে যুদ্ধ করার সুযোগ করে দিতে পারতেন। তাই তোমরা আল্লাহর পক্ষ থেকে নিরাপত্তা গ্রহণ করো। তাদেরকে হত্যা বা বন্দী করো না। তারা তোমাদের সাথে যুদ্ধ না করে দূরে সরে গেলে উপরন্তু যুদ্ধ না করে তোমাদের সাথে সমঝোতার মানসিকতা নিয়ে নত হলে তাদের বিষয়ে আল্লাহ তা‘আলার বিধান হলো তাদেরকে হত্যা বা বন্দী করা যাবে না।

Commentary: Al-Mukhtasar in Interpreting the Noble Qur'an by Tafsir Center for Quranic Studies. Qur'an text and translation via AlQuran Cloud.