Muslim99Muslim99
← Tafsir library

15. Al-Hijr

The Rock · Meccan · 99 ayahs

سُورَةُ الحِجۡرِ

Reading Tafsir Ibn Kathir by Hafiz Ibn Kathir (Tawheed Publication)

Ayahs 51–60 of 99

51

وَنَبِّئْهُمْ عَن ضَيْفِ إِبْرَٰهِيمَ

আপনি তাদেরকে ইব্রাহীমের মেহমানদের অবস্থা শুনিয়ে দিন।

৫১-৫৬ নং আয়াতের তাফসীর আল্লাহ তাআলা স্বীয় নবীকে (সঃ) বলছেনঃ “হে মুহাম্মদ (সঃ)! তুমি তাদেরকে ইবরাহীমের (আঃ) অতিথিদের সম্পর্কে খবর দিয়ে দাও।' (আরবি) শব্দটিকে একবচন ও বহুবচন উভয়ের উপরই প্রয়োগ করা হয়, যেমন (আরবি) ও (আরবি) শব্দদ্বয়। এই অতিথিগণ ছিলেন ফেরেস্তা, যারা মানুষের রূপধরে সালাম করতঃ হযরত ইব্রাহীমের (আঃ) নিকট হাযির হয়েছিলেন। হযরত ইব্রাহীম (আঃ) তাঁদের জন্যে গো-বৎস যবাহ করেন এবং গোশত ভেজে তাঁদের সামনে পেশ করেন। কিন্তু যখন তিনি দেখেন যে, তাঁরা হাত বাড়াচ্ছেন না তখন তাঁর মনে ভয়ের সঞ্চার হয় এবং বলেনঃ “আমি তো আপনাদেরকে ভয় করছি।” ফেরেশতাগণ তখন তাঁকে নিরাপত্তা দান করে বলেনঃ “আপনার ভয়ের কোন কারণ নেই।” অতঃপর তারা তাকে হযরত ইসহাকের (আঃ) জন্ম লাভের শুভ সংবাদ দান করেন। যেমন সূরায়ে হুদে বর্ণিত হয়েছে। তখন তিনি তাঁর নিজের ও তাঁর স্ত্রীর বার্ধক্যকে সামনে রেখে স্বীয় বিস্ময় দূরীকরণার্থে এবং ওয়াদাকে দৃঢ় করানোর লক্ষ্যে তাদেরকে জিজ্ঞেস করেনঃ “এই (বার্ধক্যের) অবস্থায়ও কি আমার সন্তান জন্মগ্রহণ করবে।” ফেরেশতাগণ উত্তরে দৃঢ়তার সাথে ওয়াদার পুনরাবৃত্তি করেন আর তাঁকে নিরাশ না হওয়ার উপদেশ দেন। তখন তিনি নিজের মনের বিশ্বাসকে প্রকাশ করতঃ বলেনঃ “আমি নিরাশ হই নাই। বরং আমি বিশ্বাস রাখি যে, আমার প্রতিপালক আল্লাহ এর চেয়েও বড় কাজের ক্ষমতা রাখেন।

52

إِذْ دَخَلُوا۟ عَلَيْهِ فَقَالُوا۟ سَلَٰمًۭا قَالَ إِنَّا مِنكُمْ وَجِلُونَ

যখন তারা তাঁর গৃহে আগমন করল এবং বললঃ সালাম। তিনি বললেনঃ আমরা তোমাদের ব্যাপারে ভীত।

৫১-৫৬ নং আয়াতের তাফসীর আল্লাহ তাআলা স্বীয় নবীকে (সঃ) বলছেনঃ “হে মুহাম্মদ (সঃ)! তুমি তাদেরকে ইবরাহীমের (আঃ) অতিথিদের সম্পর্কে খবর দিয়ে দাও।' (আরবি) শব্দটিকে একবচন ও বহুবচন উভয়ের উপরই প্রয়োগ করা হয়, যেমন (আরবি) ও (আরবি) শব্দদ্বয়। এই অতিথিগণ ছিলেন ফেরেস্তা, যারা মানুষের রূপধরে সালাম করতঃ হযরত ইব্রাহীমের (আঃ) নিকট হাযির হয়েছিলেন। হযরত ইব্রাহীম (আঃ) তাঁদের জন্যে গো-বৎস যবাহ করেন এবং গোশত ভেজে তাঁদের সামনে পেশ করেন। কিন্তু যখন তিনি দেখেন যে, তাঁরা হাত বাড়াচ্ছেন না তখন তাঁর মনে ভয়ের সঞ্চার হয় এবং বলেনঃ “আমি তো আপনাদেরকে ভয় করছি।” ফেরেশতাগণ তখন তাঁকে নিরাপত্তা দান করে বলেনঃ “আপনার ভয়ের কোন কারণ নেই।” অতঃপর তারা তাকে হযরত ইসহাকের (আঃ) জন্ম লাভের শুভ সংবাদ দান করেন। যেমন সূরায়ে হুদে বর্ণিত হয়েছে। তখন তিনি তাঁর নিজের ও তাঁর স্ত্রীর বার্ধক্যকে সামনে রেখে স্বীয় বিস্ময় দূরীকরণার্থে এবং ওয়াদাকে দৃঢ় করানোর লক্ষ্যে তাদেরকে জিজ্ঞেস করেনঃ “এই (বার্ধক্যের) অবস্থায়ও কি আমার সন্তান জন্মগ্রহণ করবে।” ফেরেশতাগণ উত্তরে দৃঢ়তার সাথে ওয়াদার পুনরাবৃত্তি করেন আর তাঁকে নিরাশ না হওয়ার উপদেশ দেন। তখন তিনি নিজের মনের বিশ্বাসকে প্রকাশ করতঃ বলেনঃ “আমি নিরাশ হই নাই। বরং আমি বিশ্বাস রাখি যে, আমার প্রতিপালক আল্লাহ এর চেয়েও বড় কাজের ক্ষমতা রাখেন।

53

قَالُوا۟ لَا تَوْجَلْ إِنَّا نُبَشِّرُكَ بِغُلَٰمٍ عَلِيمٍۢ

তারা বললঃ ভয় করবেন না। আমরা আপনাকে একজন জ্ঞানবান ছেলে-সন্তানের সুসংবাদ দিচ্ছি।

৫১-৫৬ নং আয়াতের তাফসীর আল্লাহ তাআলা স্বীয় নবীকে (সঃ) বলছেনঃ “হে মুহাম্মদ (সঃ)! তুমি তাদেরকে ইবরাহীমের (আঃ) অতিথিদের সম্পর্কে খবর দিয়ে দাও।' (আরবি) শব্দটিকে একবচন ও বহুবচন উভয়ের উপরই প্রয়োগ করা হয়, যেমন (আরবি) ও (আরবি) শব্দদ্বয়। এই অতিথিগণ ছিলেন ফেরেস্তা, যারা মানুষের রূপধরে সালাম করতঃ হযরত ইব্রাহীমের (আঃ) নিকট হাযির হয়েছিলেন। হযরত ইব্রাহীম (আঃ) তাঁদের জন্যে গো-বৎস যবাহ করেন এবং গোশত ভেজে তাঁদের সামনে পেশ করেন। কিন্তু যখন তিনি দেখেন যে, তাঁরা হাত বাড়াচ্ছেন না তখন তাঁর মনে ভয়ের সঞ্চার হয় এবং বলেনঃ “আমি তো আপনাদেরকে ভয় করছি।” ফেরেশতাগণ তখন তাঁকে নিরাপত্তা দান করে বলেনঃ “আপনার ভয়ের কোন কারণ নেই।” অতঃপর তারা তাকে হযরত ইসহাকের (আঃ) জন্ম লাভের শুভ সংবাদ দান করেন। যেমন সূরায়ে হুদে বর্ণিত হয়েছে। তখন তিনি তাঁর নিজের ও তাঁর স্ত্রীর বার্ধক্যকে সামনে রেখে স্বীয় বিস্ময় দূরীকরণার্থে এবং ওয়াদাকে দৃঢ় করানোর লক্ষ্যে তাদেরকে জিজ্ঞেস করেনঃ “এই (বার্ধক্যের) অবস্থায়ও কি আমার সন্তান জন্মগ্রহণ করবে।” ফেরেশতাগণ উত্তরে দৃঢ়তার সাথে ওয়াদার পুনরাবৃত্তি করেন আর তাঁকে নিরাশ না হওয়ার উপদেশ দেন। তখন তিনি নিজের মনের বিশ্বাসকে প্রকাশ করতঃ বলেনঃ “আমি নিরাশ হই নাই। বরং আমি বিশ্বাস রাখি যে, আমার প্রতিপালক আল্লাহ এর চেয়েও বড় কাজের ক্ষমতা রাখেন।

54

قَالَ أَبَشَّرْتُمُونِى عَلَىٰٓ أَن مَّسَّنِىَ ٱلْكِبَرُ فَبِمَ تُبَشِّرُونَ

তিনি বললেনঃ তোমরা কি আমাকে এমতাবস্থায় সুসংবাদ দিচ্ছ, যখন আমি বার্ধক্যে পৌছে গেছি ?

৫১-৫৬ নং আয়াতের তাফসীর আল্লাহ তাআলা স্বীয় নবীকে (সঃ) বলছেনঃ “হে মুহাম্মদ (সঃ)! তুমি তাদেরকে ইবরাহীমের (আঃ) অতিথিদের সম্পর্কে খবর দিয়ে দাও।' (আরবি) শব্দটিকে একবচন ও বহুবচন উভয়ের উপরই প্রয়োগ করা হয়, যেমন (আরবি) ও (আরবি) শব্দদ্বয়। এই অতিথিগণ ছিলেন ফেরেস্তা, যারা মানুষের রূপধরে সালাম করতঃ হযরত ইব্রাহীমের (আঃ) নিকট হাযির হয়েছিলেন। হযরত ইব্রাহীম (আঃ) তাঁদের জন্যে গো-বৎস যবাহ করেন এবং গোশত ভেজে তাঁদের সামনে পেশ করেন। কিন্তু যখন তিনি দেখেন যে, তাঁরা হাত বাড়াচ্ছেন না তখন তাঁর মনে ভয়ের সঞ্চার হয় এবং বলেনঃ “আমি তো আপনাদেরকে ভয় করছি।” ফেরেশতাগণ তখন তাঁকে নিরাপত্তা দান করে বলেনঃ “আপনার ভয়ের কোন কারণ নেই।” অতঃপর তারা তাকে হযরত ইসহাকের (আঃ) জন্ম লাভের শুভ সংবাদ দান করেন। যেমন সূরায়ে হুদে বর্ণিত হয়েছে। তখন তিনি তাঁর নিজের ও তাঁর স্ত্রীর বার্ধক্যকে সামনে রেখে স্বীয় বিস্ময় দূরীকরণার্থে এবং ওয়াদাকে দৃঢ় করানোর লক্ষ্যে তাদেরকে জিজ্ঞেস করেনঃ “এই (বার্ধক্যের) অবস্থায়ও কি আমার সন্তান জন্মগ্রহণ করবে।” ফেরেশতাগণ উত্তরে দৃঢ়তার সাথে ওয়াদার পুনরাবৃত্তি করেন আর তাঁকে নিরাশ না হওয়ার উপদেশ দেন। তখন তিনি নিজের মনের বিশ্বাসকে প্রকাশ করতঃ বলেনঃ “আমি নিরাশ হই নাই। বরং আমি বিশ্বাস রাখি যে, আমার প্রতিপালক আল্লাহ এর চেয়েও বড় কাজের ক্ষমতা রাখেন।

55

قَالُوا۟ بَشَّرْنَٰكَ بِٱلْحَقِّ فَلَا تَكُن مِّنَ ٱلْقَٰنِطِينَ

তারা বললঃ আমরা আপনাকে সত্য সু-সংবাদ দিচ্ছি! অতএব আপনি নিরাশ হবেন না।

৫১-৫৬ নং আয়াতের তাফসীর আল্লাহ তাআলা স্বীয় নবীকে (সঃ) বলছেনঃ “হে মুহাম্মদ (সঃ)! তুমি তাদেরকে ইবরাহীমের (আঃ) অতিথিদের সম্পর্কে খবর দিয়ে দাও।' (আরবি) শব্দটিকে একবচন ও বহুবচন উভয়ের উপরই প্রয়োগ করা হয়, যেমন (আরবি) ও (আরবি) শব্দদ্বয়। এই অতিথিগণ ছিলেন ফেরেস্তা, যারা মানুষের রূপধরে সালাম করতঃ হযরত ইব্রাহীমের (আঃ) নিকট হাযির হয়েছিলেন। হযরত ইব্রাহীম (আঃ) তাঁদের জন্যে গো-বৎস যবাহ করেন এবং গোশত ভেজে তাঁদের সামনে পেশ করেন। কিন্তু যখন তিনি দেখেন যে, তাঁরা হাত বাড়াচ্ছেন না তখন তাঁর মনে ভয়ের সঞ্চার হয় এবং বলেনঃ “আমি তো আপনাদেরকে ভয় করছি।” ফেরেশতাগণ তখন তাঁকে নিরাপত্তা দান করে বলেনঃ “আপনার ভয়ের কোন কারণ নেই।” অতঃপর তারা তাকে হযরত ইসহাকের (আঃ) জন্ম লাভের শুভ সংবাদ দান করেন। যেমন সূরায়ে হুদে বর্ণিত হয়েছে। তখন তিনি তাঁর নিজের ও তাঁর স্ত্রীর বার্ধক্যকে সামনে রেখে স্বীয় বিস্ময় দূরীকরণার্থে এবং ওয়াদাকে দৃঢ় করানোর লক্ষ্যে তাদেরকে জিজ্ঞেস করেনঃ “এই (বার্ধক্যের) অবস্থায়ও কি আমার সন্তান জন্মগ্রহণ করবে।” ফেরেশতাগণ উত্তরে দৃঢ়তার সাথে ওয়াদার পুনরাবৃত্তি করেন আর তাঁকে নিরাশ না হওয়ার উপদেশ দেন। তখন তিনি নিজের মনের বিশ্বাসকে প্রকাশ করতঃ বলেনঃ “আমি নিরাশ হই নাই। বরং আমি বিশ্বাস রাখি যে, আমার প্রতিপালক আল্লাহ এর চেয়েও বড় কাজের ক্ষমতা রাখেন।

56

قَالَ وَمَن يَقْنَطُ مِن رَّحْمَةِ رَبِّهِۦٓ إِلَّا ٱلضَّآلُّونَ

তিনি বললেনঃ পালনকর্তার রহমত থেকে পথভ্রষ্টরা ছাড়া কে নিরাশ হয় ?

৫১-৫৬ নং আয়াতের তাফসীর আল্লাহ তাআলা স্বীয় নবীকে (সঃ) বলছেনঃ “হে মুহাম্মদ (সঃ)! তুমি তাদেরকে ইবরাহীমের (আঃ) অতিথিদের সম্পর্কে খবর দিয়ে দাও।' (আরবি) শব্দটিকে একবচন ও বহুবচন উভয়ের উপরই প্রয়োগ করা হয়, যেমন (আরবি) ও (আরবি) শব্দদ্বয়। এই অতিথিগণ ছিলেন ফেরেস্তা, যারা মানুষের রূপধরে সালাম করতঃ হযরত ইব্রাহীমের (আঃ) নিকট হাযির হয়েছিলেন। হযরত ইব্রাহীম (আঃ) তাঁদের জন্যে গো-বৎস যবাহ করেন এবং গোশত ভেজে তাঁদের সামনে পেশ করেন। কিন্তু যখন তিনি দেখেন যে, তাঁরা হাত বাড়াচ্ছেন না তখন তাঁর মনে ভয়ের সঞ্চার হয় এবং বলেনঃ “আমি তো আপনাদেরকে ভয় করছি।” ফেরেশতাগণ তখন তাঁকে নিরাপত্তা দান করে বলেনঃ “আপনার ভয়ের কোন কারণ নেই।” অতঃপর তারা তাকে হযরত ইসহাকের (আঃ) জন্ম লাভের শুভ সংবাদ দান করেন। যেমন সূরায়ে হুদে বর্ণিত হয়েছে। তখন তিনি তাঁর নিজের ও তাঁর স্ত্রীর বার্ধক্যকে সামনে রেখে স্বীয় বিস্ময় দূরীকরণার্থে এবং ওয়াদাকে দৃঢ় করানোর লক্ষ্যে তাদেরকে জিজ্ঞেস করেনঃ “এই (বার্ধক্যের) অবস্থায়ও কি আমার সন্তান জন্মগ্রহণ করবে।” ফেরেশতাগণ উত্তরে দৃঢ়তার সাথে ওয়াদার পুনরাবৃত্তি করেন আর তাঁকে নিরাশ না হওয়ার উপদেশ দেন। তখন তিনি নিজের মনের বিশ্বাসকে প্রকাশ করতঃ বলেনঃ “আমি নিরাশ হই নাই। বরং আমি বিশ্বাস রাখি যে, আমার প্রতিপালক আল্লাহ এর চেয়েও বড় কাজের ক্ষমতা রাখেন।

57

قَالَ فَمَا خَطْبُكُمْ أَيُّهَا ٱلْمُرْسَلُونَ

তিনি বললেনঃ অতঃপর তোমাদের প্রধান উদ্দেশ্য কি হে আল্লাহর প্রেরিতগণ ?

আল্লাহ তাআলা হযরত ইবরাহীম (আঃ) সম্পর্কে খবর দিচ্ছেন যে, যখন তাঁর ভয় দূর হয়ে গেল এবং সুসংবাদও প্রাপ্ত হলেন তখন তিনি ফেরেশতাদেরকে তাদের আগমনের কারণ জিজ্ঞেস করলেন। তাঁরা উত্তরে বললেনঃ “আমরা হযরত লুতের (আঃ) কওমের বস্তি উলটিয়ে দেয়ার জন্যে এসেছি। কিন্তু হযরত লুতের (আঃ) পরিবারবর্গ রক্ষা পাবে। তবে তাঁর স্ত্রী রক্ষা পাবে না। সে কওমের সঙ্গেই রয়ে যাবে এবং তাদের সাথেই ধ্বংস হয়ে যাবে।”

58

قَالُوٓا۟ إِنَّآ أُرْسِلْنَآ إِلَىٰ قَوْمٍۢ مُّجْرِمِينَ

তারা বললঃ আমরা একটি অপরাধী সম্প্রদায়ের প্রতি প্রেরিত হয়েছি।

আল্লাহ তাআলা হযরত ইবরাহীম (আঃ) সম্পর্কে খবর দিচ্ছেন যে, যখন তাঁর ভয় দূর হয়ে গেল এবং সুসংবাদও প্রাপ্ত হলেন তখন তিনি ফেরেশতাদেরকে তাদের আগমনের কারণ জিজ্ঞেস করলেন। তাঁরা উত্তরে বললেনঃ “আমরা হযরত লুতের (আঃ) কওমের বস্তি উলটিয়ে দেয়ার জন্যে এসেছি। কিন্তু হযরত লুতের (আঃ) পরিবারবর্গ রক্ষা পাবে। তবে তাঁর স্ত্রী রক্ষা পাবে না। সে কওমের সঙ্গেই রয়ে যাবে এবং তাদের সাথেই ধ্বংস হয়ে যাবে।”

59

إِلَّآ ءَالَ لُوطٍ إِنَّا لَمُنَجُّوهُمْ أَجْمَعِينَ

কিন্তু লূতের পরিবার-পরিজন। আমরা অবশ্যই তাদের সবাইকে বাঁচিয়ে নেব।

আল্লাহ তাআলা হযরত ইবরাহীম (আঃ) সম্পর্কে খবর দিচ্ছেন যে, যখন তাঁর ভয় দূর হয়ে গেল এবং সুসংবাদও প্রাপ্ত হলেন তখন তিনি ফেরেশতাদেরকে তাদের আগমনের কারণ জিজ্ঞেস করলেন। তাঁরা উত্তরে বললেনঃ “আমরা হযরত লুতের (আঃ) কওমের বস্তি উলটিয়ে দেয়ার জন্যে এসেছি। কিন্তু হযরত লুতের (আঃ) পরিবারবর্গ রক্ষা পাবে। তবে তাঁর স্ত্রী রক্ষা পাবে না। সে কওমের সঙ্গেই রয়ে যাবে এবং তাদের সাথেই ধ্বংস হয়ে যাবে।”

60

إِلَّا ٱمْرَأَتَهُۥ قَدَّرْنَآ ۙ إِنَّهَا لَمِنَ ٱلْغَٰبِرِينَ

তবে তার স্ত্রী। আমরা স্থির করেছি যে, সে থেকে যাওয়াদের দলভূক্ত হবে।

আল্লাহ তাআলা হযরত ইবরাহীম (আঃ) সম্পর্কে খবর দিচ্ছেন যে, যখন তাঁর ভয় দূর হয়ে গেল এবং সুসংবাদও প্রাপ্ত হলেন তখন তিনি ফেরেশতাদেরকে তাদের আগমনের কারণ জিজ্ঞেস করলেন। তাঁরা উত্তরে বললেনঃ “আমরা হযরত লুতের (আঃ) কওমের বস্তি উলটিয়ে দেয়ার জন্যে এসেছি। কিন্তু হযরত লুতের (আঃ) পরিবারবর্গ রক্ষা পাবে। তবে তাঁর স্ত্রী রক্ষা পাবে না। সে কওমের সঙ্গেই রয়ে যাবে এবং তাদের সাথেই ধ্বংস হয়ে যাবে।”

Commentary: Tafsir Ibn Kathir by Hafiz Ibn Kathir (Tawheed Publication). Qur'an text and translation via AlQuran Cloud.