Muslim99Muslim99
← Tafsir library

10. Yunus

Jonas · Meccan · 109 ayahs

سُورَةُ يُونُسَ

Reading Tafsir Ahsanul Bayaan by Bayaan Foundation

Ayahs 71–80 of 109

71

۞ وَٱتْلُ عَلَيْهِمْ نَبَأَ نُوحٍ إِذْ قَالَ لِقَوْمِهِۦ يَٰقَوْمِ إِن كَانَ كَبُرَ عَلَيْكُم مَّقَامِى وَتَذْكِيرِى بِـَٔايَٰتِ ٱللَّهِ فَعَلَى ٱللَّهِ تَوَكَّلْتُ فَأَجْمِعُوٓا۟ أَمْرَكُمْ وَشُرَكَآءَكُمْ ثُمَّ لَا يَكُنْ أَمْرُكُمْ عَلَيْكُمْ غُمَّةًۭ ثُمَّ ٱقْضُوٓا۟ إِلَىَّ وَلَا تُنظِرُونِ

আর তাদেরকে শুনিয়ে দাও নূহের অবস্থা যখন সে স্বীয় সম্প্রদায়কে বলল, হে আমার সম্প্রদায়, যদি তোমাদের মাঝে আমার অবস্থিতি এবং আল্লাহর আয়াতসমূহের মাধ্যমে নসীহত করা ভারী বলে মনে হয়ে থাকে, তবে আমি আল্লাহর উপর ভরসা করছি। এখন তোমরা সবাই মিলে নিজেরদের কর্ম সাব্যস্ত কর এবং এতে তোমাদের শরীকদেরকে সমবেত করে নাও, যাতে তোমাদের মাঝে নিজেদের কাজের ব্যাপারে কোন সন্দেহ-সংশয় না থাকে। অতঃপর আমার সম্পর্কে যা কিছু করার করে ফেল এবং আমাকে অব্যাহতি দিও না।

আর তুমি তাদেরকে নূহের বৃত্তান্ত শোনাও; যখন সে নিজের সম্প্রদায়কে বলল, ‘হে আমার সম্প্রদায়! আমার অবস্থান এবং আল্লাহর নিদর্শনাবলী দ্বারা উপদেশ দেওয়া যদি তোমাদের কাছে দুঃসহ মনে হয়, তবে আমার তো আল্লাহরই উপর ভরসা। সুতরাং তোমরা তোমাদের শরীকদেরকে সঙ্গে নিয়ে নিজেদের কর্তব্য স্থির করে নাও,[১] অতঃপর তোমাদের সেই কর্তব্য-বিষয়ে যেন কোন প্রচ্ছন্নতা না থাকে।[২] তারপর আমার সাথে (যা করতে চাও তা) নিস্পন্ন করে ফেল, আর আমাকে মোটেই অবকাশ দিও না।

[১] অর্থাৎ, তোমরা যাদেরকে আল্লাহর শরীক বানিয়ে রেখেছ, তাদের সাহায্য অর্জন কর। (তোমাদের ধারণা অনুযায়ী যদি তারা তোমাদের সাহায্য করার ক্ষমতা রাখে।)

[২] غمة শব্দটির দ্বিতীয় অর্থ হল, অস্পষ্টতা ও প্রচ্ছন্নতা। অর্থাৎ আমার বিরুদ্ধে তোমাদের কর্তব্য পরিষ্কার ও স্পষ্ট হওয়া দরকার।

72

فَإِن تَوَلَّيْتُمْ فَمَا سَأَلْتُكُم مِّنْ أَجْرٍ ۖ إِنْ أَجْرِىَ إِلَّا عَلَى ٱللَّهِ ۖ وَأُمِرْتُ أَنْ أَكُونَ مِنَ ٱلْمُسْلِمِينَ

তারপরও যদি বিমুখতা অবলম্বন কর, তবে আমি তোমাদের কাছে কোন রকম বিনিময় কামনা করি না। আমার বিনিময় হল আল্লাহর দায়িত্বে। আর আমার প্রতি নির্দেশ রয়েছে যেন আমি আনুগত্য অবলম্বন করি।

অতঃপর যদি তোমরা মুখ ফিরিয়ে নাও, তাহলে আমি তো তোমাদের কাছে কোন পারিশ্রমিক চাই না।[১] আমার পারিশ্রমিক তো শুধু আল্লাহরই যিম্মায় রয়েছে। আর আমাকে হুকুম করা হয়েছে যে, আমি যেন আত্মসমর্পণকারী (মুসলিম)দের অন্তর্ভুক্ত থাকি।’ [২]

[১] (আমি তো তোমাদের কাছে কোন পারিশ্রমিক চাই না) যে, তার কারণে তোমরা এই অপবাদ দিতে পারবে যে, নবুওয়াতের দাবীদার হয়ে আমার উদ্দেশ্য ধন-সম্পদ অর্জন করা।[২] নূহ (আঃ)-এর এই কথা দ্বারাও জানা গেল যে, সকল আম্বিয়াগণের দ্বীন ইসলামই ছিল। যদিও শরীয়তের নিয়ম-নীতি ভিন্ন ও তরীকা বিভিন্ন ছিল। যেমন (لِكُلٍّ جَعَلْنَا مِنْكُمْ شِرْعَةً وَمِنْهَاجا) المائدة-৪৮ দ্বারা বুঝা যায়। কিন্তু সকলের দ্বীন ছিল ইসলাম। দেখুনঃ সূরা নামল ২৭:৪৪, ২৭:৯১, সূরা বাক্বারাহ ২:১৩১-১৩২, সূরা ইউসুফ ১২:১০১, সূরা ইউনুস ১০:৮৪, সূরা আ'রাফ ৭:১২৬, সূরা মাইদাহ ৫:৪৮, ৫:১১১ এবং সূরা আনআম ৬:১৬২-১৬৩ নং আয়াত।

73

فَكَذَّبُوهُ فَنَجَّيْنَٰهُ وَمَن مَّعَهُۥ فِى ٱلْفُلْكِ وَجَعَلْنَٰهُمْ خَلَٰٓئِفَ وَأَغْرَقْنَا ٱلَّذِينَ كَذَّبُوا۟ بِـَٔايَٰتِنَا ۖ فَٱنظُرْ كَيْفَ كَانَ عَٰقِبَةُ ٱلْمُنذَرِينَ

তারপরও এরা মিথ্যা প্রতিপন্ন করল। সুতরাং তাকে এবং তার সাথে নৌকায় যারা ছিল তাদের কে বাঁচিয়ে নিয়েছি এবং যথাস্থানে আবাদ করেছি। আর তাদেরকে ডুবিয়ে দিয়েছি যারা আমার কথাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে। সুতরাং লক্ষ্য কর, কেমন পরিণতি ঘটেছে তাদের যাদেরকে ভীতি প্রদর্শন করা হয়েছিল।

অতঃপর তারা তাকে মিথ্যুক মনে করল,[১] অতএব আমি তাকে এবং যারা তার সাথে নৌকায় ছিল, তাদেরকে উদ্ধার করলাম ও তাদেরকে প্রতিনিধি বানালাম।[২] আর যারা আমার নিদর্শনসমূহকে মিথ্যা জ্ঞান করেছিল, তাদেরকে ডুবিয়ে মারলাম। সুতরাং দেখ, যাদেরকে সতর্ক করা হয়েছিল, তাদের পরিণাম কি হয়েছিল?

[১] অর্থাৎ, নূহ (আঃ)-এর সম্প্রদায় সব রকমের ওয়ায-নসীহত শোনার পরেও মিথ্যাজ্ঞান করা থেকে বিরত থাকল না। সুতরাং আল্লাহ তাআলা নূহ (আঃ) ও তাঁর প্রতি ঈমান আনয়নকারীদেরকে নৌকায় আরোহণ করিয়ে বাঁচিয়ে নিলেন এবং বাকি সকলকে, এমনকি নূহ (আঃ)-এর একজন পুত্রকেও ডুবিয়ে মারলেন।

[২] অর্থাৎ সেই সময় যারা জীবিত ছিল, তাদেরকে তাদের পূর্বের মানুষদের স্থলাভিষিক্ত করলাম। মানুষের পরবর্তী প্রজন্ম তাদের বংশ থেকেই, বিশেষ করে নূহ (আঃ)-এর তিন পুত্র থেকে বিস্তার লাভ করেছে। এই জন্য নূহ (আঃ)-কে দ্বিতীয় আদম বলা হয়।

74

ثُمَّ بَعَثْنَا مِنۢ بَعْدِهِۦ رُسُلًا إِلَىٰ قَوْمِهِمْ فَجَآءُوهُم بِٱلْبَيِّنَٰتِ فَمَا كَانُوا۟ لِيُؤْمِنُوا۟ بِمَا كَذَّبُوا۟ بِهِۦ مِن قَبْلُ ۚ كَذَٰلِكَ نَطْبَعُ عَلَىٰ قُلُوبِ ٱلْمُعْتَدِينَ

অনন্তর আমি নূহের পরে বহু নবী-রসূল পাঠিয়েছি তাদের সম্প্রদায়ের প্রতি। তারপর তাদের কাছে তারা প্রকাশ্য দলীল-প্রমাণ উপস্থাপন করেছে, কিন্তু তাদের দ্বারা এমনটি হয়নি যে, ঈমান আনবে সে ব্যাপারে, যাকে তারা ইতিপূর্বে মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছিল। এভাবেই আমি মোহর এঁটে দেই সীমালংঘনকারীদের অন্তরসমূহের উপর।

আবার আমি তার (নূহের) পরে অপর নবীদেরকে নিজ নিজ সম্প্রদায়ের নিকট প্রেরণ করলাম, সুতরাং তারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণসমূহ নিয়ে এল।[১] কিন্তু পূর্বে তারা যা মিথ্যাজ্ঞান করেছিল, তা বিশ্বাস করবার ছিল না।[২] এভাবেই আল্লাহ সীমালংঘনকারীদের অন্তরে মোহর লাগিয়ে দেন। [৩]

[১] অর্থাৎ, এমন প্রমাণ ও মু'জিযাসমূহ নিয়ে এসেছিলেন, যা প্রমাণ করত যে, সত্য সত্যই তাঁরা আল্লাহর রসূল; যাঁদেরকে আল্লাহ তাআলা মানুষের হিদায়াত ও পথ প্রদর্শনের জন্য প্রেরণ করেছেন।

[২] কিন্তু এই জাতি রসূলদের দাওয়াতের উপর ঈমান আনেনি, শুধু এই কারণে যে, যখন পূর্বে এই সকল রসূল তাদের নিকট এসেছিলেন, তখন তারা চিন্তা-ভাবনা ছাড়াই সাথে সাথে তাদেরকে অস্বীকার করে দিয়েছিল। তাদের প্রথমবারের এই অস্বীকার তাদের জন্য একটি স্বতন্ত্র অন্তরায় হয়ে গিয়েছিল। আর তারা এটাই ভেবেছিল যে, আমরা তো প্রথমে অস্বীকার করে ফেলেছি, এখন আর তা মেনে কি হবে? ফল এই দাঁড়ালো যে, তারা ঈমান থেকে বঞ্চিত থাকল।

[৩] অর্থাৎ, যেভাবে কুফরী ও মিথ্যাজ্ঞান করার কারণে পূর্ববর্তী জাতিসমূহের হৃদয় মোহরাংকিত হয়েছিল, ঐভাবেই ভবিষ্যতেও যে জাতি রসূলগণকে মিথ্যাজ্ঞান করবে এবং আল্লাহর আয়াতসমূহকে অস্বীকার করবে, তাদের অন্তরও মোহরাংকিত হবে এবং পূর্ব জাতিসমূহের মত তারাও হিদায়াত থেকে বঞ্চিত থাকবে।

75

ثُمَّ بَعَثْنَا مِنۢ بَعْدِهِم مُّوسَىٰ وَهَٰرُونَ إِلَىٰ فِرْعَوْنَ وَمَلَإِي۟هِۦ بِـَٔايَٰتِنَا فَٱسْتَكْبَرُوا۟ وَكَانُوا۟ قَوْمًۭا مُّجْرِمِينَ

অতঃপর তাদের পেছনে পাঠিয়েছি আমি মূসা ও হারুনকে, ফেরাউন ও তার সর্দারের প্রতি স্বীয় নির্দেশাবলী সহকারে। অথচ তারা অহংকার করতে আরম্ভ করেছে।

অতঃপর আমি তাদের পর মূসা ও হারূনকে[১] আমার নিদর্শনাবলী সহ ফিরআউন ও তার পারিষদবর্গের নিকট পাঠালাম, [২] কিন্তু তারা অহংকার করল, আর তারা ছিল পাপাচারী সম্প্রদায়। [৩]

[১] এখানে রসূলগণের কথা সাধারণভাবে আলোচনা করার পর মূসা ও হারূনের কথা আলোচনা করা হচ্ছে। অথচ তাঁরাও রসূলগণের বর্ণনায় শামিল। কিন্তু যেহেতু তাঁরা বিশিষ্ট রসূলগণের অন্তর্ভুক্ত, তাই বিশেষভাবে আলাদা করে তাঁদের কথা বর্ণনা করেছেন।[২] মূসা (আঃ)-এর এ সকল নিদর্শনাবলী (মু'জিযা) প্রসিদ্ধ আছে, বিশেষ করে ন'টি স্পষ্ট নিদর্শন, যা সূরা বানী ইস্রাঈলের ১৭:১০১ নং আয়াতে বর্ণনা করেছেন।[৩] অর্থাৎ, যেহেতু তারা বড় বড় অপরাধ ও পাপকর্মে অভ্যাসী ছিল, যার কারণে তারা আল্লাহর প্রেরিত রাসূলকেও অহংকার প্রদর্শন করল। কারণ এক পাপ অন্য পাপকে আকর্ষণ করে এবং পাপের উপর অটল থাকলে, বড় বড় পাপকর্ম সাধনে সাহস যোগায়।

76

فَلَمَّا جَآءَهُمُ ٱلْحَقُّ مِنْ عِندِنَا قَالُوٓا۟ إِنَّ هَٰذَا لَسِحْرٌۭ مُّبِينٌۭ

বস্তুতঃ তারা ছিল গোনাহগার। তারপর আমার পক্ষ থেকে যখন তাদের কাছে সত্য বিষয় উপস্থিত হল, তখন বলতে লাগলো, এগুলো তো প্রকাশ্য যাদু।

অতঃপর যখন তাদের প্রতি আমার নিকট হতে সত্য পৌঁছল, তখন তারা বলতে লাগল, ‘নিশ্চয়ই এটা সুস্পষ্ট যাদু।’[১]

[১] যখন অস্বীকার করার কোন বিবেকগ্রাহ্য প্রমাণ না থাকে, তখন তা থেকে অব্যাহতি পাওয়ার জন্য বলে দেয় যে, এটা তো যাদু!

77

قَالَ مُوسَىٰٓ أَتَقُولُونَ لِلْحَقِّ لَمَّا جَآءَكُمْ ۖ أَسِحْرٌ هَٰذَا وَلَا يُفْلِحُ ٱلسَّٰحِرُونَ

মূসা বলল, সত্যের ব্যাপারে একথা বলছ, তা তোমাদের কাছে পৌঁছার পর? একি যাদু? অথচ যারা যাদুকর, তারা সফল হতে পারে না।

মূসা বলল, ‘সত্য যখন তোমাদের কাছে পৌঁছল, তখন সে সম্পর্কে তোমরা কি বলছ, এটা কি যাদু? অথচ যাদুকররা তো সফলকাম হয় না।’ [১]

[১] যখন মূসা (আঃ) বললেন, তোমরা একটু চিন্তা করে দেখ, সত্যের দাওয়াত ও সঠিক কথাকে তোমরা যাদু বলছ! এটা কি যাদু হতে পারে? যাদুকর তো কখনো কৃতকার্যই হতে পারে না। অর্থাৎ ইচ্ছা আনুযায়ী চাহিদা পূরণ এবং অবাঞ্ছিত পরিণতি থেকে বাঁচতে সে অকৃতকার্যই থেকে যায়। আর আমি তো আল্লাহর রসূল, আমি আল্লাহর সাহায্য পাই এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে আমাকে মু'জিযা ও স্পষ্ট নিদর্শন প্রদান করা হয়েছে। যাদু ও যাদুবিদ্যার আমার প্রয়োজনই বা কি আছে? তাছাড়া আল্লাহ তাআলার প্রদর্শিত মু'জিযার তুলনায় তার মূল্যই বা কতটুকু?

78

قَالُوٓا۟ أَجِئْتَنَا لِتَلْفِتَنَا عَمَّا وَجَدْنَا عَلَيْهِ ءَابَآءَنَا وَتَكُونَ لَكُمَا ٱلْكِبْرِيَآءُ فِى ٱلْأَرْضِ وَمَا نَحْنُ لَكُمَا بِمُؤْمِنِينَ

তারা বলল, তুমি কি আমাদেরকে সে পথ থেকে ফিরিয়ে দিতে এসেছ যাতে আমরা পেয়েছি আমাদের বাপ-দাদাদেরকে? আর যাতে তোমরা দুইজন এদেশের সর্দারী পেয়ে যেতে পার? আমরা তোমাদেরকে কিছুতেই মানব না।

তারা বলল, ‘তুমি কি আমাদের নিকট এই জন্য এসেছ যে, আমাদেরকে সেই পথ হতে ফিরিয়ে দেবে, যাতে আমরা আমাদের পূর্বপুরুষদেরকে পেয়েছি, আর পৃথিবীতে তোমাদের দু’জনের আধিপত্য স্থাপিত হবে?[১] আমরা তোমাদের দু’জনকে বিশ্বাস করবার নই।’

[১] এটা অস্বীকারকারীদের অন্য একটি কাটহুজ্জতি; যা তারা প্রমাণাদি পেশ করতে অক্ষম হয়ে প্রয়োগ করে থাকে। প্রথম এই যে, তুমি আমাদেরকে আমাদের বাপ-দাদার পথ থেকে দূরে সরিয়ে দিতে চাচ্ছ। দ্বিতীয় এই যে, ধন-সম্পদ ও কর্তৃত্ব আমাদের হাতে, তা আমাদের নিকট থেকে ছিনিয়ে নিয়ে তুমি নিজের আয়ত্তে করতে চাচ্ছ। ফলে আমরা কখনই তোমার প্রতি ঈমান আনব না। অর্থাৎ, বাপ-দাদার মতবাদে অটল অন্ধ বিশ্বাস এবং পার্থিব ধন-সম্পদ ও মর্যাদার বাসনা তাদেরকে ঈমান গ্রহণ করা থেকে বিরত রেখেছিল। এর পরবর্তীতে ফিরআউনের বিচক্ষণ যাদুকরদের ডাকা এবং মূসা ও যাদুকরদের মুকাবিলা করার কাহিনী বর্ণিত হয়েছে। যেমন সূরা আ'রাফে উল্লেখ হয়েছে এবং সূরা ত্বহাতেও তার বিস্তারিত আলোচনা আসবে ইনশাআল্লাহ।

79

وَقَالَ فِرْعَوْنُ ٱئْتُونِى بِكُلِّ سَٰحِرٍ عَلِيمٍۢ

আর ফেরাউন বলল, আমার কাছে নিয়ে এস সুদক্ষ যাদুকরদিগকে।

ফিরআউন বলল, ‘আমার কাছে সমস্ত সুদক্ষ যাদুকরকে উপস্থিত কর।’

80

فَلَمَّا جَآءَ ٱلسَّحَرَةُ قَالَ لَهُم مُّوسَىٰٓ أَلْقُوا۟ مَآ أَنتُم مُّلْقُونَ

তারপর যখন যাদুকররা এল, মূসা তাদেরকে বলল, নিক্ষেপ কর, তোমরা যা কিছু নিক্ষেপ করে থাক।

তারপর যখন যাদুকররা আসল, তখন মূসা তাদেরকে বলল, ‘নিক্ষেপ কর যা কিছু তোমরা নিক্ষেপ করতে চাও।’

Commentary: Tafsir Ahsanul Bayaan by Bayaan Foundation. Qur'an text and translation via AlQuran Cloud.